বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯

গল্প নং এক

এখন থেকে গল্প লেখব একটা প্রতিদিন। একটার বেশীও লেখা যাবে, চাইলে।
এটা ফার্সট গল্প। এসব লেখা হয় না বহুদিন। অনুবাদের ঠেলায় নিজস্ব লেখালেখির বাজে অবস্তা।
ভুলেই গেসি কিভাবে লেখতাম গল্প।
এইটা অতটা গল্প না। গল্প লেখার আগের অবস্তা বলা যায়। আমি সিরিয়াসও না এই বিষয়ে।
মানে এগুলা প্রকাশের তাড়া নাই। কমপক্ষে তিনশ ওয়ার্ড হতে হবে একেকটা গল্প।
নিজের লেখালেখি প্রকাশের কোন তাড়াই আসলে নাই আমার এখন। অনুবাদ চলুক। যদি চাহিদা হয়
সমাজে,  তখন প্রকাশ করা যাবে।
 কিন্তু আমার ভাষা কই?  এই যে লিখতেসি হুমায়ূন থেকে একটা বাক্য টাইনা, ব্রাত্য রাইসু থেইকা কৌশল ধার কইরা, আর পরে ফেসবুকে কত কত পোলাপানরে ফলো করি ওগো থেকেও ধার করতেসি, আমর অনুবাদগুলা থেকে নিতেসি।
আমার ভাষা কই? আমি কি বলব?
একটা অবভিয়াস পরিণতি ওয়ালা গল্প লিখে কি হবে। যেগুলি জানিই যে কোনদিকে যাচ্ছে। অবধারিত ভাষা আর কৌশল। একই চরিত্র। সাহিত্যগুলি সব কোন অটোমেশানের ভিত্রে পড়ে গেছে। একটি নির্দিষ্ট কোড নিজেকে পুনরাবৃত্তি করেই যায়, আর করেই যায়।
এইটা গল্প হইতেসে না। গল্প আগায় নেওয়ার জন্য চরিত্র দরকার ঘটনা দরকার। এখানে কি ঘটছে? ঘটনার সন্ধানে আমাকে নীচে নামতে হবে। মানে আমি এই গল্প লেখা অবস্থাতেই বাসা থেকে নীচে নামব এবং একই বিন্দুতে দুই ঘটনা সম্ভব নয় বলে যে কোন একটা গল্প হয়ে যাবে। এই গল্প লেখা চলমান, সুতরাং ঘরে বসা অবস্থাতেই যে নীচে নামলাম ,তাতে ঐ নীচে নামাটাই গল্প হইল।
নীচে রোদ। মিষ্টি বাতাস আছে। একটা ছেলে, আমি চিনি বলে মনে হচ্ছে, রাস্তার উল্টো দিকে দাড়িয়ে আমার দিকে চেয়ে বিড়ি টানতেসে। মিষ্টি বাতাস যে আসে, ওটা থেমে থেমে আসে। বাতাসের এই আসা যাওয়ার সাথে বিড়ি টানা, ধোঁয়া ছাড়া, ছাই ফেলাকে কেমন সিনক্রোনাইজ করছে ছেলেটা।
এখন আমার কেমন সন্দেহ হচ্ছে। আমি লেখতেসি যেখান থেকে তার একটা পাাশের জানালা দিয়ে নীচে তাকাই। বাসার উল্টো দিকের ফুটপাতের ওপর দাড়ানো সিগারেট হাতে ছেলেটাকে দেখতে পাচ্ছি। দেখছি রাস্তা পেরিয়ে তার দিকে এখনই আমি যাব। নিজেকে দেখার আগেই চট করে আমি জানালার কাছে থেকে সরে যাই।

আমি রাস্তা পার হচ্ছি। বিড়ি টানা ছেলেটা মৃদু মৃদু হাসছে এদিকে চেয়ে। আবার সে কেমন একটা ইশারা করে ওপরে আমার বাড়ির দিকে একবার তাকাল। আমিও মাঝরাস্তায় দাড়িয়ে ওপরে দেখার চেষ্টা করছি এখন। অতি দ্রুত কেউ একজন সরে গেল জানালার কাছে থেকে।
করুণ আহত চোখে আমি তাকাই উল্টা পাশের ফুটপাতে বিড়ি খাওয়া ছেলেটার দিকে। সে সুন্দর আছে। আর এখন অয় হাসতেছে পুরা ঘটনা দেইখা।
যদিও মানব জীবনকে আমি তুচ্ছ বলেই জানি, তারপরো অনেক খারাপ লাগতেসে।

~ বরাহশোদনে - বিস্ট্যালিটি ~

হে ছোট শূকর জেনো তোমায় খেতে মানা, মারতে মানা নেই সেই মহাজাগতিক মের্সেনারি তাই একশো বছর পথ হেটে এসেছে একেলা ডেসপারেট দুপুর রাত্রে পালিয়ে সে ভ...