সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০

a moaning wind rolls along the streets

Like narrow minded men that died never knowing the vastness of the universe , a them-like unfortunate night descends on the doors of citizens tired from running the machineries of ignorance and oppresssions day long -
A moaning wind rolls along the streets and blows into sinister illegitimate alleyways created un-planned between the temples of corporate capitalism
Big fat trucks wearing police badges stages an elaborate protocol spinning and winding the roads drenched and drunk with the night into their murderous tires
The orange glow from the eyes of the sodium giraffes turns red as they stop eating the state-supplied leaves hanging from the skies - that only giraffes can reach and eat- and informs the colour change is supposed to hide the blood
The pharmacies adorn themselves with fierce vulgar colours like prostitutes and stand along the road of a whole city turned into a red light district by giraffes - allowed to eat from high branches supplied by the state - waiting in a depressed manner for the customers- their pathetic citizens to arrive,
Dogs who fed on garbage politics scandals for years runs raging naked through the pavements amusing a standing man - a child of father night - with their nakedness while he condescends the descending doom out of his sheer arrogance
Men that memorizes the unmemorables, who gets high on puzzles, mathematics and due to some pervert nature remembers bithdays of lost poets and novelists whose work they don’t read - moved up in their dearest hierarchy of slaves- system they beleive their god-to kill off poets and mathematicians are now hiding in their mercedeez, bmws, and whatevers with guns and knives and condoms behind their pitch black police protocols.
A gia-e-normous blue flaming fire burns from books rounded up and their writers piled up fucked by liberal democratic masters for being true and truth being the most possible obscene had their guts and pages ripped out, their tounges, genitals, words, sentences cut edited, heads crushed splattering brains like fallen krishnochuras and some fed to the naked dogs under charges of hurting the beliefs,feelings of general public, adds a purplish tinge to the whole night. 

বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

কবিতা - জুন, ২০২০

ঢাকায়

এমনিতে জলের কালো দীঘল শরীরটি শান্ত পোষ্য,
 মধ্যবিত্তই, ভালোই তো মনে হয় দূর থেকে
ওপর থেকে তাকালে নীচের বালি আর ছোট মাছদের খেলাধূলা ছাড়া
- কিছু তো ভুলেও দেখি না,
তারপরও, স্নানোদ্দেশ্যে নামতেই একের পর এক কুমিররা হাজির হতে থাকেন
বিধায় বানরদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হল;
 ঢাকা শহরে বাড়তেই থাকে বয়স সবার
আমার আর অন্যদের , এবং বানর , কুমির , ভাইরাসদেরও
দূর থেকে একইরকম বোধ হয় - মানে বয়সে।

জোসনা রাতে

চারটা বিয়ার খেয়ে আমি চাঁদের গায়ে ঢলে পড়ি,
আর চাঁদ তার ঠোঁট হতে গ্রীবা শুদ্ধো ঢলে পড়ে আমার ওখানে
আমাদের এইসব, রাস্তায় লোকজন, ছবি তুলে যায় যার যার মোবাইলে
ফেসবুকে দিবে বলে ব্লাকমেইল, জাংকমেইল ইত্যাদি পাঠায়
আমি জোসনার হাত ধরে রাত্রির বাসার সামনের রাস্তায় লাফালাফি ঢলাঢলি ওসব করি
লোকজনরে বলি তোমাদের ফেসবুকের পুটকি মারি।



মাঠ

এইটুক কথা জানতে জলের কাছে আসা -কিন্তু,
চেহারা না দেখেখানিক্ষণ ব্যায় করে জানা যায়,
সরলরেখাদের সাথে ঘাসেদের জটিল সম্পর্ক বিদ্যমান
অথবা নক্ষত্র, যারা ছোট ও দুর্বল জংলী ফুল হয়ে
ফুটতে চাইল বলে দ্রুত পুড়তে গিয়ে গণিতের কারণে নক্ষত্র হয় -
সেই তাদের অপেক্ষায় রহে ঘাস আর সরলরেখা
আর সে কারণেই কখনও অমৌসুমেও শিশির জমে থাকে সকালবেলার মাঠে

বনলতা সেন

দেখা হ‌ইসিলো যখন তখন মোটামুটি খেয়াল করসিলাম কিন্তু সেইভাবে না -এরকম,
একটা মেয়ের কথা কি কি ঘটনা মনে করতে গিয়া জানি মনে পইড়া যায়,
তারপর ভাবতেই ভাবতেই তার ওপর সন্ধ্যা নাগাদ প্রবল ক্রাশ খেয়ে আত্নহারা - ফেসবুকে খুঁজতে থাকি;
পাওয়াও যায়, অন্য আর সবার মতই -
মেসেঞ্জারে নক দিলে বাকী মেয়েদের মত কইরাই সে শুধায় - এত দিন কোথায় ছিলেন?


শনিবার, ২৩ মে, ২০২০

এ্যান্থন শেকভের ছোটগল্প : আনন্দ

                               এ্যান্থন শেকভ (১৮৬০- ১৯০৪)
রাত্রি বারোটা প্রায়।
মিতিয়া কুলডারোভ তাহার (বাবা-মার) ফ্ল্যাটের দরজা একপ্রকার ভাঙিয়া ফেলিয়া ভেতরে প্রবেশ করিলেন। তাহার মুখ উত্তেজনায় রক্তিম। চুল অবিন্যস্ত। মিতিয়া সমস্ত বাড়ি জুড়িয়া দৌড়ে বেড়াইতে লাগিলেন। বাপ-মা ঘুমাইতে গিয়াছিলেন ইতোমধ্যে। বোনটিও কি একটি উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠাকে চুকাইয়া দিয়া নিদ্রায় যায় যায় অবস্থা। স্কুলগামী শিশু ভাইদুটি তো কবেই অচেতন।
 “ এ্যাই তুমি কোত্থেকে আসলা?” বিস্ময়ে চিৎকার করে ওঠেন নিদ্রাহত পিতা মাতা। “ তোমার ঘটনাটা কি?”
“ আরে আর বইলেন না! আমি তো ভাবিও নাই এমন হইব; স্বপ্নেও ভাবি নাই কোনদিন! কি ঘটনা যে ঘটছে আপনেরা শুনলে …. যাকে বলে মারাত্নক সুসংবাদ ”
মিতিয়া হাসিতে থাকে। ঢলিয়া পড়েন আর্মচেয়ারের গায়ে। আনন্দ তাহারে এমন আত্নহারা করিয়াছে যে পদযুগল আর শরীরকে সামলাইতে পারে না।
 আপনাদের পোলায় ঘটনা ঘটায় ফালাইল! চিন্তা করতে পারেন! এই দ্যাখেন মিয়া আপনেরা!”
তাহার বোন শয্যা ছাড়িয়া, গায়ে চাদর জড়াইয়া ছুটিয়া আসিল ভাইয়ের কাছে। স্কুলগামী শিশু দুই উঠিল জাগিয়া।
“ ঘটনা কি বাবা? তোমার চোখ মুখ এমন ক্যান!” 
কারণ আম্মা আমার খুশি রাখোনের জায়গা নাই! আপনে জানেন পুরা রাশিয়া এখন আপনার এই পোলার নাম জানে! পুরা রাশিয়া। এর আগে খালি আপনে জানতেন যে ডিমিত্রি কুলডারোভ নামের একজন রেজিষ্ট্রেশান ক্লার্ক আছে। আর অখন জানে পুরা রাশিয়া, আম্মা, পুরা রাশিয়া! ওহ রে খোদা রে!”
মিতিয়া লাফ দিয়া উঠিয়া দাড়াইলেন। বোধ হইল এই যেন উড়িয়া চলিয়া যান। সমস্ত বাড়ি জুড়িয়া আরও একবার তিনি দৌড়াইয়া ফিরিলেন। আর্মচেয়ারে বসিলেন যখন, প্রশ্ন আসিল,
“ ক্যান, হইসে টা কি? ঠান্ডা হইয়া ক আমগোরে!”
“ আরে আপনেরা তো থাকেন জংলীগো মত, পেপার পত্রিকাতো পড়েন না কিছু। কি ছাপতেছে না ছাপতেছে হ্যারা কিছু জানেন। কত কত ইন্টারেস্টিং জিনিস ছাপতেছে পত্রিকায়। কিছু হইলেই পাবলিকে একবারে জাইনা লায়। লুকানোর উপায়ই নাই। আমি যে কি খুশি আইজ! খোদা তোমার অনেক মেহেরবানি! এটুক তো জানেন যে একমাত্র বিখ্যাত লোকদের কথাই ছাপে পত্রিকায়। আইজকা অরা আমার নাম ছাপছে!
“ কি কস? কই?”
পিতাটির মুখ পাংশুবর্ণ ধারণ করিল। মাতা ভগবানের ছবিটির পানে চাহিয়া বুকে ক্রুশ আকিঁলেন। স্কুলগামী বালকদ্বয় নিদ্রা ত্যাগ করিয়া ছুটিয়া আসিল ভাইয়ের কাছে। পায়জামা পরিবর্তনের ফুরসৎটিও মিলে নি তাহাদের।
“ হ্যাঁ, ছাপাইছে তো আমার নাম! পুরা রাশিয়া এখন আমারে চিনে! এই পত্রিকা আম্মা রাইখা দিয়েন। এইটা একটা স্মৃতি! মাঝেমাঝে বাইর কইরা পড়বেন! এই যে এই জায়গায় দ্যাখেন আমার নাম!
মিতিয়া তাহার পকেট হইতে পত্রিকার কপিখানি বাহির করিলেন। হস্তান্তর করিলেন পিতার হাতে। এক জায়গায় একটি অনুচ্ছেদ নীল পেন্সিলে দাগানো। সেদিকে অঙুলি তুলিয়া কহিলেন,
“ দ্যাখেন পইড়া!”
পিতা চোখে চশমা দিলেন।
“ জোরে জোরে পইড়েন আব্বা!”
মাতা আবারও ভগবানের পানে চাহিয়া অদৃশ্য ক্রুশকে নির্দেশ করিলেন। পিতা কাশিয়া কন্ঠশোধন করিয়া পড়িতে আরম্ভ করিল : “ তারিখ ২৯ ডিসেম্বরের সন্ধ্যা এগারটার সময়, ডিমিত্রি কুলডারোভ নামধারী একজন রেজিস্ট্রেশান ক্লার্ক ….”
“  এই যে দেখলেন দেখলেন! পড়তে থাকেন!”
“ ডিমিত্রি কুলডারোভ নামধারী একজন রেজিস্ট্রেশান ক্লার্ক, লিটল ব্রোয়ান্নিয়ার কোযিহিন ভবনের একটি পানশালা থেকে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় বেরিয়ে আসেন…”
“ এই যে আমি আর শেমিয়োন পেত্রোভিচ, আমরা দোনোজন আছিলাম, হুবহু আমাদের কথাই কইতেছে! পড়ে যান! বাকী সবাই মন দিয়া শুনবা!”
“ নেশাগ্রস্থ অবস্থায় বেরিয়ে আসেন এবং একটি টানা-গাড়ির ঘোড়ার নীচে পড়ে যান। গাড়ির মালিক ইভান ড্রোটোভ পেশায় কৃষক, জেলা ইয়ুভনোস্কি গ্রাম ডুরিকিনো। ভীত ঘোড়াটি কুলডারোভকে মাড়িয়ে গাড়ি সমেত তার ওপরে উঠে পড়ে এবং ছুটতে শুরু করে। এইসময় গাড়ির ভেতরে মস্কোর ব্যাবসায়ী পরিষদের দ্বীতিয় সারির সদস্য স্টিফান লুকোভ অবস্থান করছিলেন। তাকে সহই ঘোড়া-গাড়িটি ছুটে চলে। এসময় আশেপাশের বাড়ির কয়েকজন দারোয়ান এগিয়ে আসেন এবং ঘোড়াটিকে থামাতে সক্ষম হন। কুলডারোভকে, প্রাথমিকভাবে অজ্ঞান অবস্থায়, পুলিশ স্টেশানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একজন ডাক্তার তাকে পর্যবেক্ষণ করেন। তার মাথার পেছন দিকের আঘাতটি ….”
“ ওটা গাড়ির শ্যাফট দিয়া লাগসিলো , আব্বা। পড়তে থাকেন! বাকীটা পড়েন!”
 আঘাতটি তেমন গুরুতর নয়। ঘটনাটি নিয়ে তখনই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যাক্তিকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে …”
“ ওরা বলসে কাপড় ঠান্ডা পানি দিয়া ভিজাইয়া মাথার পিছে চাপ দিতে। পড়লেন তো? হ্যাহ! দেখসেন। এখন পুরা রাশিয়া লোক আমার কথা জানে! দ্যান দেখি!”
মিতিয়া পত্রিকাটি কাড়িয়া লইলেন। ভাজ করিয়া রাখিয়া দিলেন নিজের পকেটে।
“ আমি অখন মারাকোভদের বাসায় যামু। অগোরে দেখামু, তারপর ইভানিটস্কিসদের তো দেখাইতেই হইব, নাতাশা ইভানোভনা আর আনিসিম ভ্যাসিলীইটচ … দৌড়ায়া দৌড়ায়া যামু সবার কাছে ! গুড বাই!”
ফিতার গিটওয়ালা টুপিখানি মাথায় চড়িয়ে, উল্লাসে আনন্দে নৃত্য করিতে করিতে মিতিয়া বাহিরে রাস্তায় চলিয়া গেলেন।

বঙ্গানুবাদ : সালেহ মুহাম্মাদ 
bengali translation © saleh muhammed 


শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

আর্ট -১ - সনি এক্সপেরিয়া - স্কেচ এ্যাপ - ২০২০

১। বাদল দিনেরো প্রথম কদম ফুল : 

 ২। কাউয়া
 ৩। ব্রো
 ৪। ফায়ার
 ৫। যিশু
 ৬। রাবণ
 ৭। হনুমান
 ৮। পশু
 ৯। লোনলি বার্ড
 ১০। কুত্তারবাচ্চা
 ১১। দি ওয়ার্লড ইয আ ভ্যাম্পায়ার
 ১২। ভাই-ব্রাদার
 ১৩। জল

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

লিফট

আমি লিফটে ওঠা মাত্র প্রেমকে ডেফাইন করতে গিয়ে একটু ঘাবড়ে যাই
ওপরের ছাদ থেকে ধীরে ধীরে নামছিল একটি বোগানভেলিয়ার ঝোপ
যিনি লিফটের মাঝি তিনি বলেন বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরছাহা
প্রেম ডেফাইন্ড হইতে থাকেন, বোগানভেলিয়ায় ফুটতে থাকেন লাল নীল বেগুনী ফুলেরা
লিফটের কার্পেট থেকে উঠতে শুরু করে প্রাগৈতিহাসিক মাটির ঘ্রাণ, উড়তে থাকে
একটি আর্কওপটেরিক্স আর বোগানভেলিয়ার ডাল ধরে ঝুলতে ঝুলতে বানরকূল একদিন আগুন জ্বালাতে শিখে যায়,
তারপর দরজা খুলতেই ঝপ করে নেমে কোটপ্যান্ট গায়ে দিয়ে যে যার কাজে চলে যান তারা
আবার জোড়ায় অন্যান্য নানান প্রাণীরা ওঠেন যে যার নিজস্ব গোত্রীয় শব্দগুলি করতে করতে
যেন এই লিফট এক নূহ নবীর নৌকা ,
মহাপ্লাবন পাড়ি দিয়ে কোন একদিন আমরা পৌঁছাব কানাডায়, আমেরিকায়, ইংল্যান্ডে বা নিদেনপক্ষে  গুলশান বনানীতে
এই লিফটে চড়া আর শেষ হবে না আমাদের, এই যাত্রীদের ওঠানামা, চিরল হাসি আর চোখের কানাঘুষা, প্রেমের ডেফাইন্ড হইতে চাওয়া, লাল নীল ফুল ফোটারা -
চলতেই থাকবে;
এর মধ্যেই স্যাররা উঠবেন, উঠবেন কবিরা ,প্রফেটরা, মাস্তানরা- তারা দুহাত খুলে দান করবেন শুধু মোটিভেশান,
লিফটের আমরা বুঝব না, কিছু বুঝব- কয়েকটাকে খুন করে ফেলব, দুতিনটাকে অরা নামার আগে কিছু একটা পুরস্কার ধরিয়ে দেব
উঠতেই থাকবে, একের পর এক তলারা নীচে যাবেই অবধারিত নিয়তিতে, লিফটের মাঝি মদ খেয়ে গান গাবে
একটা গাঁজা ধরাবে কেউ একজন, কেউ একজন তাতে একটা টান দিয়ে বিগত তলাদের, তলায় নেমে যাওয়ার প্রাণীদের নিয়ে গল্প ফাঁদল আর প্রেমের ডেফিনেশানে এই গল্পগুলিকে বলা হবে ইতিহাস
আর আরও পরে, কেউ একজন আমরা মাঝিরে গুলি কইরা লিফট থামায়া এই বালছাল থেইকা বাইর হয়ে গেলাম।

~ বরাহশোদনে - বিস্ট্যালিটি ~

হে ছোট শূকর জেনো তোমায় খেতে মানা, মারতে মানা নেই সেই মহাজাগতিক মের্সেনারি তাই একশো বছর পথ হেটে এসেছে একেলা ডেসপারেট দুপুর রাত্রে পালিয়ে সে ভ...