ঢাকায়
এমনিতে জলের কালো দীঘল শরীরটি শান্ত পোষ্য,
মধ্যবিত্তই, ভালোই তো মনে হয় দূর থেকে
ওপর থেকে তাকালে নীচের বালি আর ছোট মাছদের খেলাধূলা ছাড়া
- কিছু তো ভুলেও দেখি না,
তারপরও, স্নানোদ্দেশ্যে নামতেই একের পর এক কুমিররা হাজির হতে থাকেন
বিধায় বানরদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হল;
ঢাকা শহরে বাড়তেই থাকে বয়স সবার
আমার আর অন্যদের , এবং বানর , কুমির , ভাইরাসদেরও
দূর থেকে একইরকম বোধ হয় - মানে বয়সে।
জোসনা রাতে
চারটা বিয়ার খেয়ে আমি চাঁদের গায়ে ঢলে পড়ি,
আর চাঁদ তার ঠোঁট হতে গ্রীবা শুদ্ধো ঢলে পড়ে আমার ওখানে
আমাদের এইসব, রাস্তায় লোকজন, ছবি তুলে যায় যার যার মোবাইলে
ফেসবুকে দিবে বলে ব্লাকমেইল, জাংকমেইল ইত্যাদি পাঠায়
আমি জোসনার হাত ধরে রাত্রির বাসার সামনের রাস্তায় লাফালাফি ঢলাঢলি ওসব করি
লোকজনরে বলি তোমাদের ফেসবুকের পুটকি মারি।
মাঠ
এইটুক কথা জানতে জলের কাছে আসা -কিন্তু,
চেহারা না দেখে। খানিক্ষণ ব্যায় করে জানা যায়,
সরলরেখাদের সাথে ঘাসেদের জটিল সম্পর্ক বিদ্যমান
অথবা নক্ষত্র, যারা ছোট ও দুর্বল জংলী ফুল হয়ে
ফুটতে চাইল বলে দ্রুত পুড়তে গিয়ে গণিতের কারণে নক্ষত্র হয় -
সেই তাদের অপেক্ষায় রহে ঘাস আর সরলরেখা
আর সে কারণেই কখনও অমৌসুমেও শিশির জমে থাকে সকালবেলার মাঠে।
বনলতা সেন
দেখা হইসিলো যখন তখন মোটামুটি খেয়াল করসিলাম কিন্তু সেইভাবে না -এরকম,
একটা মেয়ের কথা কি কি ঘটনা মনে করতে গিয়া জানি মনে পইড়া যায়,
তারপর ভাবতেই ভাবতেই তার ওপর সন্ধ্যা নাগাদ প্রবল ক্রাশ খেয়ে আত্নহারা - ফেসবুকে খুঁজতে থাকি;
পাওয়াও যায়, অন্য আর সবার মতই -
মেসেঞ্জারে নক দিলে বাকী মেয়েদের মত কইরাই সে শুধায় - এত দিন কোথায় ছিলেন?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন