টিন এজ বয়স ঘেইকা লালান কটা কিছু ধারণা
আজ শ্বাপদ হইয়া যেনবা স্বপ্ন হিংস্র অবাস্তব
আমার চতুর্পাশে জীবন্ত ঘোরাঘুরি করে
মনে লয় মারব আমারে হাউয়ার পোলারা
খাইব
আমি এক বিমূর্ত কৈশোরে বাঁচি
যেন এক সী-গাল, আয়ু হইয়াছে ছাব্বিশ
ঠোঁটে কত সহস্র মতসের ঘ্রাণ লেগে আছে
অনুস্বরের ঘ্রাণ,
হোয়াইমি লেটব্রো অটামের এই শেষ
রাত্তিরে
শীত এসে যায় ভবে
নাম জানি না, কবুতরের ঝাঁক বা হাস টিয়াপাখি কি মুরগী আর পেঙ্গুইন রা
আকাশ থিকা ঝাঁক বাইন্ধা নামিতেছে
এই এক, থ্যানোযের অপেক্ষারত এক শহরে।
আজ শ্বাপদ হইয়া যেনবা স্বপ্ন হিংস্র অবাস্তব
আমার চতুর্পাশে জীবন্ত ঘোরাঘুরি করে
মনে লয় মারব আমারে হাউয়ার পোলারা
খাইব
আমি এক বিমূর্ত কৈশোরে বাঁচি
যেন এক সী-গাল, আয়ু হইয়াছে ছাব্বিশ
ঠোঁটে কত সহস্র মতসের ঘ্রাণ লেগে আছে
অনুস্বরের ঘ্রাণ,
হোয়াইমি লেটব্রো অটামের এই শেষ
রাত্তিরে
শীত এসে যায় ভবে
নাম জানি না, কবুতরের ঝাঁক বা হাস টিয়াপাখি কি মুরগী আর পেঙ্গুইন রা
আকাশ থিকা ঝাঁক বাইন্ধা নামিতেছে
এই এক, থ্যানোযের অপেক্ষারত এক শহরে।
যেন আকাশের দিকে মুখ করে শুয়ে থাকার তরে
জন্ম হয় আমার, এই আজন্মের সাধ শুধু শুয়ে থাকা
কোনদিন মধ্যাহ্নের ছাদে
কোনদিন নারিকেল গাছেদের নীচে
নারিকেল দ্বীপের হাওয়ায় হাওয়ায় হৃদয় নড়ে ওঠে- শীতল স্বচ্ছ হয় কাঁচের মত
কচি নারিকেলের জল খেয়ে, আমার এইসব শুয়ে থাকায়
ব্রহ্মাণ্ড নিজ অস্তিত্বে সার্থক হয়
যখন আমার আকাশের দিকে চেয়ে থাকা চোখের সম্মুখে - নক্ষত্ররা লজ্জায় মরে যায়,
এইযে এসব শরতের স্পষ্ট সরল রাতে
যিনি আমার মা
তিনি মারা যাচ্ছেন
কাঁচের তৈরী হাসপাতালের কেবিনে
বরফযুগের শীতলতা
জানালার গায়ে বিন্দু বিন্দু ঘাম
চারপাশে চিরকাল বিরাজমান মৃত্যু
ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠে
এত গোছানো ক্যাসুয়াল মৃত্যুকে দেখে বুঝি
সে কোত্থেকে আসছে এমন না ব্যাপারটা
এখানেই ছিল
চিরকাল
বিরাজমান
এখন শুধু সে প্রকট হয়
চারপাশে আঁধার
কিচ কিচ করে বাদ্যরত মেশিন গুলায়
লাল, সবুজ, হলুদ আলো রেখা আর সংখ্যারা
প্রকাশিত মৃত্যুকে দেখে আতংকে অস্থির হয়ে
লাফালাফি করে
আমি চিৎকার করি “নার্স নার্স নার্স!’’
তিনি যিনি নার্স তিনি চাইনিজ যার ছোট ছোট দাঁত সুন্দর
মায়ের কম্পমান কনভালসানরত দেহখানির কিনারে
দন্ডায়মান
ক্যাজুয়াল মৃত্যুতে অভ্যাস্ত তিনি হাস্যরত
যেন এই মরণের ফ্রেন্ড তিনি
আমি শুধাই,” নার্স আর কতক্ষণ….”
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন